বড়ো অদ্ভুত এই সময়। একদিকে শীতকে বিদায় জানানো তো অন্যদিকে বসন্তের আবাহন। একদিকে ঝরা পাতা তো অন্যদিকে গাছে গাছে কিশলয়ের আগমন। শীতের খোলস ছেড়ে আবার সেই চেনা চেহারায় ফিরে আসা। আমাদের পত্রিকাও প্রকৃতির তালে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন লেখায় ভরিয়ে তুলেছে পাতা।
প্রতি সংখ্যার মতোই এই সংখ্যাতেও রয়েছে ছোটদের লেখায় তৈরি ‘কচিপাতা’। সাহিত্য চর্চা এবং সাহিত্যের প্রতি নতুন প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে আমরা বেছি নিয়েছি এই মাধ্যমকে। বড়োদের মতোই একেবারে ক্ষুদেরাও রয়েছে এই পত্রিকার সঙ্গে। সকলকে নিয়ে পথ চলতে চলতেই আমরা সমৃদ্ধ হব—এই আশা রাখি।
নবতরু ই-পত্রিকার সম্পাদক বরুণ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৮৪ সালে। বীরভূম জেলার নানুর থানার শ্রীকৃষ্ণপুরের গ্রামের বাড়িতেই বড়ো হয়ে ওঠেন। আবাসিক ছাত্র হিসাবে বিদ্যালয় জীবন অতিবাহিত করেন বিশ্বভারতীর পাঠভবন ও উত্তর শিক্ষা সদনে। বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ বরুণ মুখোপাধ্যায় বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত আছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি ভালোবাসেন লেখালেখি করতে। এছাড়াও সাংস্কৃতিক চর্চা ও সৃজনশীল কাজকর্মের মধ্যে নিজেকে সর্বদা যুক্ত রাখেন। নতুন ছেলেমেয়েদের মধ্যে সাহিত্য সৃষ্টির উন্মেষ ঘটানোর জন্যই দায়িত্ব নিয়েছেন নবতরু ই-পত্রিকা সম্পাদনার।
এবছর এপ্রিল মাসের শুরুতেই অর্থাৎ চৈত্রের মাঝামাঝি থেকেই প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল বাংলার জনজীবন। গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে রেহাই নেই গাছপালা-সহ সকল জীবজগতের। তীব্র দহনে পুড়ছে পশ্চিমবঙ্গ ও পাশাপাশি রাজ্য। তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪৫ ডিগ্রি। তবুও কাজ তো থেমে থাকে না। রুটিরুজির সন্ধানে বেরিয়ে যাওয়া শ্রমজীবী মানুষের আবার কী শীত কী গ্রীষ্ম! টিকিফাটা রোদেও চলছে কাজ। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেদার বিক্রি হচ্ছে মরসুমি ফল, ঠাণ্ডা পানীয়—যদি একটু স্বস্তি পাওয়া যায়!
মার্চ মাস শেষ হতে চলল অথচ পত্রিকার নতুন সংখ্যার দেখা নেই—এমনটা যারা ভাবছেন তাঁদের উদ্দেশে বলি—আপনাদের জন্যই নবতরুকে নতুন নতুন রূপে প্রকাশ করতে ইচ্ছা করে।